Monday, March 20, 2017

Qualia vs. Noumena 1 -- Sambita

Click On pics for full-screen view.

1.“The Yell” 2015
Acrylic and spray paint on craft paper.
Collage on newspaper.
Dimensions: 27 X 43 in

2.“Creative Block” 2015
Acrylic and oil on canvas.
Dimensions: 12 X 16 in

3.“The Eye of the Storm” 2015
Oil on canvas
Dimensions: 24 X 18 in

4.“The Anchor” 2015
Oil on canvas
Dimensions: 14 X 18 in

























5.Series: Control “Sensory Trap” 2014
Black pen on sketchbook.
Dimensions: 8.5 X 10.75 in
























6.“Significance of May” 2014
White pencil on black sketchbook.
Dimensions: 8.5 X 11.5 in





















************************************************
About The Artist:
Sambita Modak
Contact address:
Lab TA-08, CES (3rd floor),
New Biological Science Building, IISc,
Bangalore-560012
Karnataka, IN
Ph: +91-8105212678
Email- sambita.modak@gmail.com
2009 Chitra Visharad Final (5th Year) in Fine Arts from Pracheen Kala Kendra, Chandigarh

Artist’s Statement:
Sambita’s artworks sprout from personal experiences, dealing largely with the human psyche and finding beauty in the mundane events of our lives. In addition to capturing the beauty or mood of such experiences, her artwork also acts as a glimpse into the entanglement of the subtle and deeper realms of the human mind.
These are expressions of duality and multimodality of the human psyche, depicted in the interplay of multilayered interpretations. The loose threads always nudge the audience’s brain, leaving the mysterious taste of our “selves” in our mind.

Monday, March 13, 2017

পিতামহের প্রতি -- রাজীব


উৎস


পিতামহ,
তোমার ক্রোধাগ্নি ছড়িয়ে পড়ুক
নক্ষত্রের শিরা উপশিরায়।
মহাকাশের নাভিমূলে ফুটে উঠুক
একান্নটি একান্নবর্তী সংসারের পৃথিবী।
প্রথম পঞ্চাশটিতে থাক শান্ত শ্বেত শুভ্র মনুষ্যকুল।
আর একান্নতম গ্রহটি হোক কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধস্থল।
কুরু বা পাণ্ডব বুঝিনা, আমি শুধু
সেই জীবন যুদ্ধের সৈনিক হতে চাই।

শিলুমাসি -- গঙ্গোত্রী

উৎস
শিলুমাসির গল্প এখনও মনে পড়ে যখন ঘরে থাকতে ইচ্ছে করেনা, তখন।
আমার যখন বছর পাঁচেক বয়স তখন শিলুমাসি খুব আসত আমাদের বাসায়। আমাকে তেল মাখিয়ে চান করিয়ে, খাইয়ে দাইয়ে তারপর যেত। আর এর ফাঁকে ঝুড়ি ঝুড়ি গপ্পো শুনতাম আমি, মাসির মুখে। মাসি আমাদের কেমন একটা দুঃসম্পর্কের আত্মীয় হয়। নানান গপ্পের মধ্যে একটি দু’টি আমার আজও মনে পড়লে গা কেমন শিউরে ওঠে...

যাযাবর এসেছিলো সেবার শীতে শিলুমাসিদের গ্রামে।

"যাযাবর কি মাসি?"
"ঘুরে বেড়ায় তারা দেশে বিদেশে, কখনো এক জায়গায় থাকে না, অনেক রকম জাদুটোনা জানে তারা..."

অল্পে আমার কৌতূহল ক্ষান্ত হয় না, মাসিও আমার সব প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দিতে থাকে।

সন্ধ্যে বেলা তারা নানা রকম খেলা দেখাতো, পয়সাও পেত গ্রামের লোকদের কাছ থেকে। কামু খেলা দেখতে যেত প্রায়ই, দিনের বেলাতেও মাঝে মধ্যেই চলে যেত, ওই দলের লোকেদের সাথে গিয়ে ভিড়তো।


Monday, March 6, 2017

মাশরুম -- তনুজিৎ

উৎস

ঘুম তখন ভাঙতে যাবে। খুব অল্প সময়ের জন্যে, তখনও আমি ঘুমের মধ্যে, মনে হলো কেউ খাটটা খুব জোরে নাড়াচ্ছে; আমি একটা খুব অদ্ভুত গোঙানির মত শব্দ করে জেগে উঠি, ধড়মড় করে। আচমকা খুব নড়ছে ঘরটা। প্রথম কয়েক মুহূর্তের জন্যে কিছু বুঝে উঠতে পারিনা যে কি হচ্ছে। অসময়ে ঘুম ভাঙলে আমার চোখ খুব জ্বলে আর জল বের হয়, দেখতে অসুবিধা হয়। বিছানা থেকে উঠে মেঝেতে পা দিয়ে যখন দাঁড়াতে যাই তখন জোরালো ধাক্কার মতো পড়ে যাই। যখন প্রথম সাঁতার শিখেছিলাম, তখনো পায়ের তলায় যেরকম একটা অনুভূতি হয়েছিলো, যেটা ঠিক মাটির মতো নয়, সেরকম একটা ভূমিহীন অনুভূতি হলো। আমি কখনও ভুত দেখিনি, তবে মাঝেমাঝে যখন চেনা অন্ধকার কোনাটায় একটা অচেনা বস্তুর অবয়ব কয়েক মুহূর্তের জন্যে দেখি, তখন এক ধাক্কায় একটা ভয় আসে; মাথার ভিতর এক ধাক্কায় রক্ত আসে, গরম করে দেয়, বুকের ভিতর ধাক্কাটা খুব জোর শুরু হয়, হাত-পা বেশ অকেজো অসাড় হয়ে আসে। সেটাও কেটে যায়, যখন দেখি অচেনা বস্তুটা আসলে একটা চাদর বা অন্যকিছু। অল্প সময়ের জন্যে ওরকম একটা হঠাৎ ভয় এলো। কিছুক্ষণ মেঝেতে ওইভাবেই পড়ে রইলাম। আমি যে শহরে থাকি, সেখানে খুব বৃষ্টি হয়, আর দূষণটাও বেশি, তাই

Monday, February 27, 2017

মূল কথা -- সুনন্দ

উৎস
গ্রামের পশ্চিম দিকে, খালপাড়ের পরের জমিটার ঠিক মাঝখানে, একটা বিশাল বটগাছ আছে। এককালে ওখানে ফিস্ট হতো, বাগালের দল জিরতো দুপুরের রোদে পিঠ রেখে। এখন আর ওসব হয় না অনেকদিন। ছেলে-ছোকরারা খেলতে যায়, ঝুরিতে তক্তা বেঁধে দোল খায়, আর মাঝেমাঝে ঝিমিয়ে পড়লে গাছের একদিকে এক বড় গর্তের মধ্যে বসে থাকা ধীরু পাগলের চুলে ঢিল বেঁধে আর গায়ে মাটি চাপিয়ে মজা দেখে। পাগল কিছু বলে না। খুব বেশি জ্বালালে, রক্তচক্ষু করে চীৎকার করে ওঠে, “কই শেকড়টা?”

যারা জানে না, তারা খুব ভয় পেতে পারে, গ্রামের ছেলেরা কিন্তু একটুও ভয় পায় না ধীরুকে।  প্রতিদিন কোন না কোন বাড়ি থেকে ধীরু পাগলের খাবার যায়। কোনদিন ভুলে গেলেও ধীরু কিছু বলে না, আওয়াজও করে না। তবু সবাই মনে রাখার চেষ্টা করে।
আজ আমার পালা। দশ কিলোমিটার দূরের দোকান থেকে দুপুরে বাড়িতে ভাত খেতে এসেও শান্তি নেই। বেরনোর সময় বউ হাতে ভাতের টিফিন বাক্স ধরিয়ে দিলো। ফেরার পথে দিয়ে যেতে হবে পাগলের সামনেগজগজ করতে করতে এই এখন ওই দিকেই হাঁটছি।
ধীরু পাগলা চিরকাল পাগল ছিল না

About Us | Site Map | Privacy Policy | Contact Us | Blog Design | কথা তো বলার জন্যেই