Thursday, September 29, 2011

লেট নাইট গল্প -- সৌম্যজিৎ রজক


বহুত রাতে, কাল
চাঁদ নেমে এসেছিলো বিছানায়
স্যারের বৌয়ের সাথে প্রেম;
কি ঝক্কি !
- বলে গেছে
বলে গেছে, আরও চাপ,
একা একা রাত জাগা
বহুত রাতে, কাল
চাঁদ নেমে এসেছিলো কাউন্টার চাইতে
চেয়ে গেছে,
রাত জেগে গ্রাম পাহারার সম্মতি।



তবক -- নির্মাল্য


দুচোখ ঝাপসা হয়ে আসছে দেবযানীর। গায়ের ভারী গয়না, দামী শাড়ি সবই যেন ম্লান হয়ে যাচ্ছে আন্তরিক চোখের জলে। আন্তরিক? যদি হতো! যদি সত্যিই কাঁদতে পারত দেবযানী, ভাবতে ভাবতে সত্যিই যেন ভেতরটা ভারী হয়ে আসতে চায় তার- কাট্‌- এক্সেলেন্ট! চিৎকার করে ওঠেন পরিচালক। চিন্তার চাকাটা অজানার দিকে গড়িয়ে যায় দেবযানীর। স্পটগার্লের এনে দেওয়া রুমালে চোখের তলার কালি মুছে ফেলে সে। স্পটের একধারে ইজিচেয়ারে গা এলিয়ে দেয়, চুল খুলে, দুচোখ বন্ধ করে ভাবতে থাকে। আজ করবী লাহিড়ীকে একডাকে চেনে সারা বাংলা। বছর দুয়েক আগেও ব্যাপারটা এতো সহজ ছিল না-'পারিবারিকধারাবাহিকের জনপ্রিয় গৃহবধূ করবী- বাস্তবের দেবযানীর অস্তিত্ব যেন গ্রাস করেছে। পরিচালকের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা, অসংখ্য বাঙালী বধূর শুভেচ্ছাবার্তার মাঝে সে কতটুকু আর দেবযানী? তাকে কেন্দ্রীয় চরিত্রে নিয়ে পরিচালক মিঃ ব্যানার্জী শুরু করেছিলেন পারিবারিক। আজ সবকটা চ্যানেলের সমস্ত ধারাবাহিককে অনেক পিছিয়ে ফেলে পারিবারিকপ্রথম-দি নাম্বার ওয়ান। বাবার বয়সী পরিচালকের কাছে সে শুধু করবী লাহিড়ীই নয়, স্নেহের পাত্রীও বটে।

রাতবিরেতে -- রাকা


এমনি করেই রাত যদি হয় বাৎ যদি হয় দিনদুনিয়ায়
নৈশ ছাদে কাৎ হয়ে আজ এক পা-দু পায় দিন গুনি আয়।
নেশায় নেশায় বাঁই বনাবন ঘুরবে যখন এই পৃথিবী।
হাত-বেহাতেই নাচতে থাকুন ইস্কাবনের টেক্কা-বিবি।
ঠ্যাং দোলাবেন দস্যি হাওয়ায় মাঘ-ফাগুনের কৃষ্ণচূড়া
মিলন্তি রং মিললে তখন খুন্তি নাড়েন দিগ বধূরা।
ঠানদি হাতের হাণ্ডিকাবাব-- বজ্র- বাঁধন ফস্কা গেরো
আলতো হাতে ঢাল তো পাতে--- আর কি ভাবিস সাতসতেরো?
কেউ কি জানিস, আমরা কজন এই ছাদে এই রাতবিরেতে
রোজ আসি আর ভোজ সেরে রোজ জ্যোছনা জমাই ছাঁকনি পেতে!
আধমিনিটের চাঁদনী মিতে, নয় তো নেহাৎ সস্তা সে যে
রোজের হিসাব করছি দাখিল দলিল এবং দস্তাবেজে।
টিফিন- ক্যারি উপচে যেদিন জমবে আলো রাতদুপুরে
আমরা চাঁদের হাট বসাবো গঞ্জে- গাঁয়ে শহর জুড়ে।

অন্য কোথাও, অন্য কোনখানে -- ঐকিক


৬ সহস্র পীতবর্ষ:
আজ উইসিনুন চলে গেল। নিঃশব্দে। অনেকদিন ভাবার পরেই নিল সিদ্ধান্তটা। জানতাম, তৈরিও ছিলাম, কোন অনুতাপ বা শিশুসুলভ টানও ছিলনা। তবু আমায় পেয়ে বসেছে এই বিষণ্ণতা। সামনের ঝর্ণার জল, নতুন কোন গবেষণা- এমনকি ওই হলুদ নক্ষত্রের দিগন্ত পার করা, যাকে এখন সবাই বলি বিসর্জন- কিছুই আর ঠিক সেই ইচ্ছে জাগাতে পারছেনা পরের দিনের সব কাজ করার। এ এক অদ্ভুত রোগ। চিকিৎসা আজও আমাদের অজানা। আমাদের গ্রহে এর অস্তিত্বও কেউ জানেনা, কিন্তু এখানে! একটা গোটা প্রজাতি উজাড় হয়ে গেল এই মহামারীতে। উইসিনুন, উওয়ারুহ্‌ন, উইনিড্রোন- সব তাবড় প্রকৃতিবিদ হার মেনেছিল এর কাছে। সবাই শেষ অবধি মেনে নিয়েছিলাম, এটা এই গ্রহেরই আবহাওয়ার কোন বৈশিষ্ট্য- কারণ ছাড়াই মানসিক অবস্থার হঠাৎ পরিবর্তন আর অদ্ভুত এক জীবন-বিমুখ অভিব্যক্তি গ্রাস করে রোগীকে। লজ্জাজনক এক বিষয়ে অপরিসীম গুরুত্ব আরোপ করে তখন সে- আত্মচিন্তা। প্রজাতি নয়, তার কাছে তখন বড় হয়ে ওঠে ওই সামান্য অস্তিত্ব- নিজ দেহ-মন। আমি মোউন-উহ্‌, একমাত্র নীরোগ প্রাণ অবশিষ্ট আছি এই প্রজাতির। সেও বোধহয় আর ঠিক থাকলো না। আমিও বিষণ্ণ
আর কেউ থাকলো না। উইসি- ওকে শেষ দিকে এই বলেই ডাকতে শুরু করেছিলাম,

ফুলকপির কাটলেট -- লিল্টু


সরঞ্জাম:
১) মাঝারি সাইজের ১ টা ফুলকপি, ২) ১ কাপ ছোলার ডাল, ৩) ১-২ পিস পাউরুটি, ৪) ধনে পাতা কুচি এক মুঠো, ৫) ১ চা চামচ করে লঙ্কা আর জিরে গুঁড়ো, ৬) ২ টো কাঁচাকঙ্কা কুচি, ৭) নুন স্বাদ মতো, ৮) ডিম বা দুধে গোলা কর্ন ফ্লাওয়ার, ৯) বিস্কুটের গুঁড়ো, ১০) সাদা তেল।
পদ্ধতি:
ফুলকপি আর ছোলার ডাল আলাদা করে সেদ্ধ করে নিতে হবে। ছোলার ডাল

About Us | Site Map | Privacy Policy | Contact Us | Blog Design | কথা তো বলার জন্যেই