Sunday, June 4, 2017

Velas Turtle Festival - Celebrating Conservation -- Soumyajit

Number of People Gathered ~ 200; 
Number of Turtle hatchling(s): 1; 
The Ocean: Limitless; 
Chance of Survival: 1 in 1000

It is this sense of hope, this very small and yet powerful dose of probability that

makes me feel wonderful about every conservation project in the country. It helps you find courage; and gives you confidence, that for everything wrong in the world, there is someone, in some corner of the earth, doing his bit to make this a better place.

The year is 2015 and the olive ridleys have long back been declared ‘Vulnerable. We are in Velas, a sleepy little fishing village nestled away in a remote corner of Maharashtra. Velas has come a long way from the days in the 1980s when turtles topped the list of delicacies; adults and hatchlings hunted for meat and eggs collected as a routine. Since then a small number of people from the community have set in motion a conservation effort that would go a long way and put Velas on the map for being a village that helps in and also benefits from conservation efforts. Every year, especially during February and March, the village plays host to a large number of conservation experts and enthusiasts who gather to witness the conservation effort in action.


Thursday, September 26, 2013

প্যাঁচাকাহিনী -- তপোব্রত

“প্যাঁচা কয় প্যাঁচানী,
খাসা তোর চ্যাঁচানি
শুনে শুনে আন্‌মন
নাচে মোর প্রাণমন !”
ছোটবেলাতে এই কবিতা পড়েননি এরকম বাঙালি বিরল না হলেও দুষ্প্রাপ্য তো বটেই। তার সঙ্গে আরো আছে গঙ্গারাম, যার মুখের গঠন “অনেকটা ঠিক প্যাঁচার মতন” কিম্বা সেই হ-য-ব-র-ল র জজসাহেব, কালো ঝোল্‌লা-পরা হুতুম প্যাঁচা যে এসেই একটা উঁচু পাথরের ওপর বসে ঢুলছিল এবং সেই মামলার শেষে যার রায়ে নেড়ার তিনমাসের জেল আর সাতদিনের ফাঁসি হয়েছিল।

এগুলো ছাড়াও ছোটবেলা থেকেই প্যাঁচার ওই গোল মাথা, রাগী রাগী গোল চোখ, দিনে ঘুমিয়ে রাত্তিরে জেগে থাকার অভ্যেস, লক্ষ্মী ঠাকুরের বাহন এসব থেকে আমার বেশ একটা আকর্ষণ তৈরি হয়েছিল প্রাণীটার প্রতি। তবে হ্যাঁ প্যাঁচা যে মরা প্রাণী, ইঁদুর এইসব খায় তা জানতাম, তাই পোষার কথা কখনই মনে হয়নি। পরে হ্যারি পটার পড়ার সময় বুঝতে পারি যে, মাগল্‌ হয়ে জন্মানোর আরও একটি সমস্যা হল যে মাগল্‌রা কেউ প্যাঁচা পোষে না!

তবে প্যাঁচা না পুষলেও প্যাঁচা সংক্রান্ত দুটো গল্প নিয়েই এই লেখা।

Thursday, August 29, 2013

আমার প্রাইমারি বেলা -- আবির

প্রাইমারি উত্তর জীবনে কোথাও শুনেছিলাম যে, 'প্রাইমারি' স্কুল হলো সেই স্কুল যেখানে শিক্ষক-শিক্ষিকারা প্রায়ই মারেন। আমার অভিজ্ঞতা অতটা করুণ না হলেও কথাটা বেশ মনে থেকে গেছে। বরং উল্টোটাই আমার কাছে সত্যি। হাইস্কুলেই প্রহারের প্রয়োজন ও প্রয়োগ যেন বেশি। হাইস্কুলের কথা পরে হবে ’খন। আজ খুলছি প্রাইমারি স্কুলের ঝাঁপি। চিন্তা নেই, শুধু করুণ রসেই সীমাবদ্ধ থাকবে না এই গল্পগাথা। অন্যান্য জিনিসপত্রও থাকছে!

একদম শুরুতে, শহরের ছোঁয়া পাওয়া আমার গেঁয়ো বাবা-মা আমার নাম লেখালেন গ্রামের একমাত্র ইঞ্জিরি মিডিয়াম প্রাইমারিটিতে। আইডিয়াটা ছিল, বছর দুয়েক ইঞ্জিরি শিক্ষানবিশি করে, ইংরাজির ভিতটা একটু পোক্ত করে - 'বাংলায় ফিরে এসো বাওয়া'। দু’-একজন তুতো দাদার ক্ষেত্রে এইরকমটিই হতে দেখেছি কিনা। সে যাই হোক, শুরু হলো লাল জামা, কালো প্যান্ট, কালো টাই (সেটা আবার নট্‌ করাই থাকত, গলায় গলিয়ে নিলেই হত), কালো জুতো (মোজার রঙ ভুলে গেছি) পরে বিদ্যাদেবীর আরাধনা। ওহ্‌, বলতে ভুলে গেছি, সাথে সবুজ ফিতেওয়ালা ওয়াটার বটল্‌, টিনের বাক্স আর সেই বাক্সে কিছু বই আর রুলটানা খাতার সাথে আকাশী রঙের টিফিন বাক্সও ছিল। কিন্তু ছিলো না একটা জিনিস। অনেককেই দেখতাম খাঁচাগাড়ি করে স্কুলে আসত। বাড়ি থেকে ইস্কুল মেরে-কেটে ৩০০-৩৫০ মিটার হওয়াতে আমি ছিলাম ও সুখে বঞ্চিত। বেজায় রাগ হত জানেন। পরে অবিশ্যি, কি কারণে মনে নেই, একবার সুযোগ হয়েছিল এতে চড়ার। সেই 'রঙ দে বসন্তী' তে কুণাল কাপুর যেরকম বলেছিলেন না,

Wednesday, May 8, 2013

চ্যাপলিন-চরিত -- সুশোভন



আকাশের গায়ে কেমন চাপ চাপ নিস্তব্ধতা। এক টুকরো মধ্য কলকাতা আলসেমি ভরা উদাসী  দুপুর। গলির গলি তস্য গলি পেরিয়ে গন্তব্য তিন নম্বর বেডফোর্ড স্ট্রিট।

মাত্র ছ’ফুট-থেকে আট ফুট চওড়া রাস্তা। অগুনতি ঠেলা, রিকশা, আর স্কুল ফেরত বাচ্চারা পাশাপাশি ঠেলাঠেলি করে চলেছে। ঘিঞ্জি রাস্তার দু’ধারে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ভাঙাচোরা দোতলা বাড়িরা। রাস্তার ধারে কর্পোরেশনের কলে মত্ত জল কেলি করছে একদল উলঙ্গ শিশু।
একটা বাড়ির দাওয়ায় ঘুমে ঢুলু ঢুলু এক মহিলা বসে ছিলেন। তাঁকেই প্রশ্ন করলাম-
“সেলিমের বাড়িটা এই দিকেই তো?” ঘুম জড়ানো চোখেই সেলিমের বাড়ির রাস্তা দেখিয়ে দেন তিনি। সেই রাস্তার দিকে পা বাড়িয়েছি, মহিলাটি পিছন থেকে বলে ওঠেন, “সিরিফ সেলিম বোলা কিউ? সেলিম জোকারওয়ালা বলুন।”
ঠিকই তো! সেলিমরা তো জোকারওয়ালাই!

পাঠক মশাই কলকাতার প্রাণকেন্দ্রে জোকারদের দেশে আপনাকে স্বাগত।

দশ ফুট বাই দশ ফুট ঘরের দেওয়ালের রং সবুজ। সেখানেই বিকেলের প্রার্থনা সারছেন জোকারদের এই বাড়িটি যিনি গড়ে তুলেছেন সেই সেলিম। প্রার্থনা শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষায় ছিলাম। একটুখানি সময়। সেলিম তাও ক্ষমা চেয়ে নিলেন। আরও মিনিট পাঁচেক সময় লাগবে তাঁর প্রার্থনা সারতে।
কে এই সেলিম?

Thursday, September 20, 2012

আশ্বিন অথবা পূজা ক্রমে আসিতেছে -- তপোব্রত

দুর্গাপুজো আসছে। হঠাৎ হঠাৎ আকাশের দিকে তাকালে উদাস হয়ে যাচ্ছে মন। সেপ্টেম্বর মাস চলছে, আর তো কয়েক সপ্তাহ বাদেই পুজো। পুজো বলতেই যে কত কথা মনে পড়ে যায়। কত ঘটনা, কত স্মৃতি। বেশিরভাগটাই আনন্দের, তবু হয়তো কিছু দুঃখের স্মৃতিও লুকিয়ে থাকে সেখানে।

পুজো মানেই বাড়ির কর্তাদের কপালে ভাঁজ। কারণ বাড়ির মা দুর্গারা ঘোষণা করে দিয়েছেন যে, পুজোর চারদিন ‘নো রান্না’, আর তার মানেই পুজোয় ঠাকুর দেখার ফাঁকে চাইনিজ রেস্তোরাঁর সামনে দৈনিক অন্তত দু’ঘণ্টা করে অপেক্ষা এবং চিলি চিকেন, মাঞ্চুরিয়ান বা কিং সাইজ প্রন খেয়ে পকেট ফাঁক।

Monday, August 20, 2012

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আর মা... -- সীমা

মম, মাম্মি, মাম্মা... এদের মধ্যেই কি মা আছেন? প্রশ্ন-টা জটিল মোটেই না, তাই না?
আচ্ছা আজকাল তো সব নাম-ই এক অক্ষরের হয়, তাহলে মা এক অক্ষর থেকে বেড়ে গিয়ে মাম্মা, মাম্মি, মম কেন হল? জানি না আজকাল এইসব উদ্ভট সব প্রশ্ন জাগে, পড়াশুনার তো বালাই মিটে গেছে কাজেই যত সব হাবিজাবি প্রশ্ন ভিড় করে।
নিজেও তো থাকি পরদেশে, এত গাল ফুলিয়ে বলার কি আছে? এই জন্যেই তো ভয়ে ভয়ে বলছি...জানি দেওয়ালেরও কান আছে তাও

অকারণে গান গাই -- সুশোভন

“সৃষ্টির গভীরতার মধ্যে যে একটি বিশ্বব্যাপী প্রাণকম্পন চলেছে, গান শুনে সেইটেরই বেদনাবেগ যেন আমরা চিত্তের মধ্যে অনুভব করি। এতে করে আমাদের চেতনা দেশকালের সীমা পার হয়ে নিজের চঞ্চল প্রাণধারাকে বিরাটের মধ্যে উপলব্ধি করে।”
 ছন্দের অর্থ: রবীন্দ্রনাথ

সে সব আমার শৈশবে স্বপ্নের দিন। গ্রামের বাড়িতে থাকতাম। এত টি ভি-র প্রচলন হয়নি।  রোজদিন রেডিও-র চিঠি পড়ার আসর শুনে বা সংবাদের চেনা আওয়াজে ঘুম ভাঙত। তার পরে বাজত রবীন্দ্রসঙ্গীত (তখনও রবীন্দ্রনাথের গান কি বুঝিনি)। কোনোদিন রেডিওর বদলে গ্রামোফোন রেকর্ডে নাটক বা গান দিয়ে শুরু হত দিন। সদ্য ঘুম ভাঙা বালকের কানে রান্নাঘরের শব্দ, 

Thursday, August 9, 2012

ফটিক ও বিরিঞ্চি বাবা-৪ -- ঘনাদা

<<আগের সংখ্যা

প্রাচীন সাহিত্যের প্রতি রাজশেখরের, পারিবারিক ঐতিহ্য গত টান তো ছিলই সাথে রোমান্টিক সাহিত্যের প্রতি টান-ই তাঁকে কালিদাসের “মেঘদূত” কাব্যের দিকে টেনে নিয়ে গিয়েছিল।
আগেই বলেছি, তিনি কঠোর শৃঙ্খলাবদ্ধ ছিলেন। ফলে, যে কাজেই তিনি মন দিতেন, তা হাল্কা ভাবে করতেন না। তাঁর বৈজ্ঞানিক মন, সব খুঁটি- নাটি না জানা পর্যন্ত শান্তি পেত না।
ল্যাবরেটরিতে

Wednesday, August 1, 2012

পুরনো কথা (২)

বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আমাদের অতীত-চারণের দ্বিতীয় অধ্যায়... আজকের ‘পুরনো কথা’: ‘ইচ্ছে... -- হিজিবিজবিজ’ (১১/৮/১১, সকাল ১০:৩০)
ছবির উৎস: লিঙ্ক
আচ্ছা, জীবনের কাছে আপনার প্রত্যাশা কি? এ নিয়ে বিস্তর ভেবেছেন নিশ্চয়। কোন সঠিক
উত্তর পেয়েছেন কি? যাঁরা পেয়েছেন বা পেয়েছেন বলে নিজেদের বিশ্বাস করাতে পেরেছেন তাঁরা সত্যিই ভাগ্যবান। হয়ত বা প্রকৃত অর্থেই সুখী। যাঁরা পান নি...... আমি তাঁদের দলে। ছোটবেলায় ‘aim in your life’ লিখতে গিয়ে পরীক্ষার খাতায় পাতার পর পাতা খুব লম্বা চওড়া বাতেল দিতাম। ঢপ দিচ্ছি জেনেই দিতাম। সেই লেখার মুখ্য উদ্দেশ্য তো ছিল শুধুই নম্বর পাওয়া। জীবন খুব সহজ ছিল। চিন্তা-ভাবনার দায়িত্ব ছিল বাবা-মার। তুমি শুধু আদেশ পালন করে যাও। তুমিও খুশী। তোমার বাড়ির সবাই খুশী। ব্যস, ওইটুকুই দুনিয়া মনে হত। চাপটা হল নিজে ভাবতে গিয়ে। দেখলাম, একজন কলেজে ভর্তি হয় পাশ করে কি চাকরি পাবে তার হিসাব করে!

Monday, July 30, 2012

ফটিক ও বিরিঞ্চি বাবা-৩ -- ঘনাদা



উদ্ভট হাস্যরসের পরিবেশন আমরা দেখি, বিরিঞ্চি বাবা, মহাবিদ্যা, কচি সংসদ, চিকিৎসা সংকট, উলট পুরাণ; এই সব

Thursday, July 19, 2012

ফটিক ও বিরিঞ্চি বাবা-২ -- ঘনাদা

<<আগের সংখ্যা

রাজশেখর বসুর জবানীতেই শোনা যাক, কেন তিনি ছদ্মনাম নিয়েছিলেন! (ডঃ সুশীল রায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎকার)
“পরশুরাম একজন স্যাকরা। পৌরাণিক পরশুরামের সঙ্গে

Monday, July 9, 2012

কলকাতার গলিনামচা -- সুশোভন প্রামাণিক


শঙ্খ ঘোষ আর কলকাতার গলিকে কেমন যেন আমার সমার্থক মনে হয়। প্রথম লাইনেই এমন কথা দেখে নিতান্তই ঘেঁটে ঘ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা

Thursday, July 5, 2012

ফটিক ও বিরিঞ্চি বাবা-১ -- ঘনাদা

বাঙালির একটা বদ-অভ্যাস আছে। ডাক নামকে বিকৃত করার। একটা স্নেহ মাখা অবজ্ঞার সঙ্গে ডাক নামকে ওলট পালট করে দেয় এই জাতটা।
বাঙালি বোধহয়, মনে করে- এই অবজ্ঞা পরে ছেলেটাকে বড় করে তুলবে।
তা, ফটিক, ফইটক্যা হয়েছিল কিনা জানা নেই, তবে

Monday, June 11, 2012

আমসংকীর্তন- নির্মাল্য


ভ্যাপসা গরমের কোন লাভজনক দিক চট করে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। আমি অন্তত পাই না। ঘামাচি, ডিহাইড্রেশন, সর্দিগর্মি ইত্যাদি হরেক উপসর্গে ঋতুটি

Thursday, June 7, 2012

আমার সেই সাদা খাতা -- সায়নী


লিঙ্ক
আজ একটা departmental store - এ গেছিলাম। কেনাকাটা করতে করতে দেখলাম একটা রঙিন মলাট দেওয়া লম্বা

Monday, April 9, 2012

যেমন খুশি... -- পারমিতা

মাঠে ঢোকার আগে একমুঠো ধুলো নিয়ে সারা গায়ে হাত পায়ে মেখে নিল ছেলেটা। চুলগুলো আরও এলোমেলো করে গায়ের

Monday, March 19, 2012

রবীন্দ্রনাথ-বিবেকানন্দ -- সত্রাজিৎ গোস্বামী


রবীন্দ্রনাথ আর বিবেকানন্দ--একজনের জন্ম-সার্ধশতবর্ষ সদ্য পেরিয়ে আমরা আর-একজনের জন্ম-সার্ধশতবর্ষের চৌকাঠে এসে দাঁড়িয়েছি। কিন্তু গত দেড়বছর ধরে

Wednesday, March 7, 2012

হোলি-Unholy -- শুভ

হোলি……… বুড়ো থেকে খোকা সবাই এই বিশেষ একটি দিনে হঠাৎ যেন কেমন ক্ষেপে ওঠে। আপনার পাশের বাড়ির ভদ্রলোক, যাঁর সাথে আপনি হয়তো রোজ

টুকরো স্মৃতি -- সংহিতা

ছোটবেলায় পাড়ার কিছু বন্ধুদের সাথে সখ করে ‘রং’ খেলতে গিয়েছিলাম। একরাশ ছেলেমেয়ে ধেই ধেই করে

Monday, February 13, 2012

আসা যাওয়ার পথের ধারে -- গঞ্জিলা

ঘটনা : এক
বাস ধরবো বলে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে আছি। আমার পাশে দাঁড়িয়ে আছেন আরও কয়েকজন। বেশিরভাগ মানুষেরই মুখ চেনা। বাস আসতে দেরি হচ্ছিল। হঠাৎ একজন ভদ্রলোক এগিয়ে এলেন আমার দিকে।

About Us | Site Map | Privacy Policy | Contact Us | Blog Design | কথা তো বলার জন্যেই