Monday, July 22, 2013

সাধের টি-শার্ট, জুজুর আতঙ্ক...অতঃপর... -- শুভ

দোষের মধ্যে দোষ হল আমার ঐ টি-শার্টটা পরা। একটু আঁতলা টি-শার্ট...... সামনের দিকে একটা ছবি... দু'টো মানুষ উল্টোদিকে মুখ করে হাঁটা দিয়েছে...... মাঝামাঝি জায়গায় তাদের হাতদুটো মিলে গিয়ে একটা কলমের নিবের আকার নিয়েছে আর তলায় লেখা 'তুমি আসবে বলে আজও কলম ছাড়িনি'। বুকের উপর আবার বড় বড় করে লেখা 'সংস্কৃতি'। আমরা ইউনিভার্সিটি থেকে পাস করে বেরনোর কয়েক বছর পর 'ফেস্ট' উপলক্ষে বানানো টি-শার্ট। এক বন্ধুর ব্যাগে বেকার পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছিল। পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছিল, তার প্রচুর জামাকাপড়ের মাঝে এটার কোনো প্রয়োজন নেই। আমি আবার কোনো কিছুর অপচয় দেখতে পারি না। তার উপর টি-শার্টটার পিছনে বড় বড় করে ইউনিভার্সিটির নাম লেখা! ইউনিভার্সিটির সাথে সম্পর্ক বহুদিন আগে চুকেবুকে গেলেও এখনও যেটুকু স্মৃতি আঁকড়ে ধরে রাখা যায়, তার কিছুই হাতছাড়া করতে ইচ্ছা করে না। অতএব আমি
সাত-পাঁচ না ভেবেই ওটা হস্তগত করেছিলাম। তা হয়েছে কি...... এই গত সপ্তাহান্তে টি-শার্ট টা পরে জুজু'র (ব্লগের commander in chief) বাড়ি গেছি আড্ডা মারতে। হঠাৎ এ-কথা সে-কথার মাঝে ব্লগের কথা উঠতেই জুজু ঝাঁঝিয়ে উঠল। পরবর্তী কয়েক মিনিটে বাছা বাছা শব্দচয়নে আমাকে যা শুনতে হল তার সারমর্ম এই যে, আমি এই বয়সে এখনও কারও একটা আসার অলীক কল্পনায় দিন গুজরান করছি দেখে সে অত্যন্ত হতাশ হলেও তাতে তার কোন আপত্তি নেই। বরং সেই অলীক কল্পনাসুন্দরী না আসা অবধি আমার কলম না ছাড়ার অঙ্গীকারে সে অত্যন্ত প্রীত। কিন্তু সে অঙ্গীকার শুধুমাত্র ঘোষণায় পর্যবসিত হতে দেখে সে যারপরনাই ক্রুদ্ধ। অর্থাৎ, এই যে গত একবছর (প্রায় আমার টি-শার্টের বয়সের সমসাময়িক) অনন্তকাল ধরে চলতে থাকা ph.d -র কাজের চাপ দেখিয়ে ব্লগের কোনরকম কাজে কুটোটি ভেঙ্গে দু'টোটি না করে এবং দিনের পর দিন post -এর খরা চলাকালীন একটাও লেখা দিয়ে ব্লগকে ধন্য না করে 'আমাদের কথা' পাতায়

Monday, February 11, 2013

দূরদেশী সেই স্বর্ণপদক (৩) -- শুভ

<<আগের কিস্তি

Les Misérables :


'Les Misérables' বা ইংরাজিতে 'The Misérables'.... ১৮৬২ সালে প্রকাশিত ফরাসি ঔপন্যাসিক ভিক্টর হুগো'র লেখা দুনিয়া কাঁপানো উপন্যাস। তা নিয়েই গত বছরের অস্কারজয়ী পরিচালক Tom Hooper -এর নির্মিত ছবি এবারেও অস্কারে মনোনীত ৮-টি বিভাগে। আদতে রিমেক বলতে আমরা যা বুঝি, এই সিনেমাটি আসলে তাই। এর আগে ১৯৩৫, ১৯৫৮ এবং ১৯৯৮ সালে তিন তিনবার এই একই উপন্যাস নিয়ে সিনেমা হয়েছে। এছাড়া অসংখ্যবার ইউরোপের বিভিন্ন থিয়েটারে অভিনীত হয়েছে এই একই গল্পের উপর তৈরি হওয়া চিত্রনাট্য। ২০০০ সালে টেলিভিশনে হয়ে গেছে একটা মিনি সিরিজ। বোঝা গেল, 'Les Misérables' ইউরোপিয়ানদের, বিশেষ করে ব্রিটিশ আর ফরাসিদের কাছে বেশ একটা ব্যাপার! কেন? একটু গল্পটা শুনে নেওয়া যাক তাহলে।

Thursday, October 4, 2012

প্রথম মিউজিক ভিডিও!!


জনাকয়েক ছোকরা অনেকদিন ধরে কাজের ফাঁকে- কখনো ফাঁকি দিয়ে, কখনো খুব উৎসাহ নিয়ে অনেকরকম বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার শিখছিলো। কেউই পেশাদার হতে চায়নি, পরেও চায় না। অনেক চেষ্টা করেও ‘নেশাদার’ ছাড়া কিছুই হয়ে উঠতে পারেনি। সেটাও তাদের অত্যুৎসাহী গুরু, বন্ধু, প্রিয়জন ডি. মধুসূদন ছাড়া সম্ভব ছিলো না। যখন প্রথম তারা ঠিক করে, যে অনেক দিনের ফাঁকির প্রায়শ্চিত্ত করতে তারা তাদের ‘স্যার’কে একটা সম্পূর্ণ গান তৈরি করে শোনাবে- নিজেরা বাজিয়ে, গেয়ে, লিখে, সুর দিয়ে- তখন তাদের কেউই রেকর্ড করা, ব্যালেন্স করা, ভিডিও করা- কিচ্ছু জানতো না। এখনও যে জানে তা নয়, তবে ঠেকে ঠেকে তো মানুষ কিছু শেখে!

আজকের এই ভিডিও যতটা না একটা গান, তার অনেক বেশি করে সবাই মিলে, যতটুকু জানি, পারি, তার পুরোটা দিয়ে নিজেদের কাছেই একটা স্মারক- আমরা কিছুটা হলেও, পারি। কি পারি? গাইতে, বাজাতে, সুর দিতে, লিখতে? তা নয়- আমরা শুধুই নিজেদের পেটের পিছনে নয়, মনের পেছনেও সময় দিতে পারি। সবাই মিলে।

তাই, এই গানটা আমাদের সব্বার খুব প্রিয়। প্রথম মন ভরে গিয়েছিলো, যখন মেসের অন্য একজন সদস্য, যে কিনা কিছুর সঙ্গেই যুক্ত নয়, বাথরুমে নিজের মনে গেয়ে উঠেছিলো, “... বিসর্জনের রাঙতা ভেসে যায়...”। নিজেদের জানেন, কেউকেটা মনে হয়েছিলো।
এটা আমাদের মনের খেয়ালে তৈরি। কিন্তু হঠাৎ করে, দুম করেই হয়তো বা, আপনাদের যদি ভালো লেগে যায়......

সে এক দারুণ ব্যাপার হবে!! আমাদের আনন্দের বাঁধ থাকবে না! দিব্যি করে বলছি, এই ভিডিওর সমস্ত শিল্পী এখন যে যেখানে থাকুক, দাঁত দিয়ে নখ কাটছে... আর, আপনাদের মন্তব্যের অপেক্ষা করছে। তাই আর দেরি না করে শুনে ফেলুন, আর আমাদের জানান আপনাদের কেমন লাগলো।

প্লি-ই-জ!!



Video Details:
This piece of music is created for the 2012 Special Edition of the popular bengali blog: Kotha to bolar jonyei (কথা তো বলার জন্যেই) An original song from a few amateurs. The musical arrangement has two inspirations- The Swallow Tail Jig (Irish Traditional Music) and Pelagia's Song from the film Captain Corelli's Mandolin (also features in the 2001 album The Voice by Russell Watson); though both pieces are suitably altered for this rendition. Video arrangement was partially inspired by "Video Song"s of Pomplamoose (though we couldn't get video for all of the instruments). Music is recorded and edited using Sennheiser E835 Vocal Microphone and Pro-Tools M-Powered Essential. Video is taken with a Nikon D5100 and edited using Pinnacle Studio 14. Below are the details of artists(in order of appearence): 
 Mandolin: Sumit Violin: Arnab KeyBoard: Nirmalya Acoustic Guitar: Arunava [Lead] Debmalya [Chord] Banjo: Subhadeep Vocal: Arunava Flute: Sunando Bass Guitar: Rajarshi  Percussion: Biswajit da Music Arrangement: Arunava, Sunando Lyrics: Sunando
A big thanks to our mentor D. Madhusudan, Rajarshi and his awesome band Driftwud.

Thursday, July 19, 2012

পার্টি তো হচ্ছে, কিন্তু কোথায়? -- সুনন্দ

অ্যানাহাইম, ক্যালিফোর্নিয়া, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র। জুলাই মাসের অসহ্য গরমের দুপুর। তা সত্ত্বেও নতুন তৈরি হওয়া প্রমোদ নগরী Disneyland এর ঠাণ্ডা হলঘরে বসেছে বিরাট জমাটি আসর। Intel Corporation তাদের কোম্পানির প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে পার্টি দিয়েছে। তবে আজকের আকর্ষণ শুধু তা-ই নয়। অনেকগুলো অনুষ্ঠানের মধ্যে

Wednesday, March 7, 2012

হোলি-Unholy -- শুভ

হোলি……… বুড়ো থেকে খোকা সবাই এই বিশেষ একটি দিনে হঠাৎ যেন কেমন ক্ষেপে ওঠে। আপনার পাশের বাড়ির ভদ্রলোক, যাঁর সাথে আপনি হয়তো রোজ

About Us | Site Map | Privacy Policy | Contact Us | Blog Design | কথা তো বলার জন্যেই