Monday, August 19, 2013

স্বাধীনতা-দিবস -- তপোব্রত


সকালে ঘুম থেকে উঠেই মনটা ভালো হয়ে গেল। আজকে স্বাধীনতা দিবস। ছুটির দিন। কাল সকালেই ফেসবুকের কভার ফোটোর জায়গায় একটা দারুণ তিরঙ্গা দেওয়া দেশাত্মবোধক ছবি গুগল থেকে খুঁজে লাগিয়েছি। অনেকগুলো ‘লাইক’ও পড়েছে। সঙ্গে প্রোফাইল পিকের জায়গায় আমার প্রিয় বিপ্লবী ভগৎ সিং এর ছবি।

আরো অনেকেই দেখলাম এরকম লাগিয়েছে আর রাত বারোটা বাজার সঙ্গে সঙ্গেই তো চারদিকে সবাই দেশাত্মবোধক স্ট্যাটাস দিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিল। আমিও লিখে দিলাম, 

‘Wishing everyone a happy 67thIndependence Day! Proud to be an Indian!! Jay Hind!!!’

 তখনই বেশ কয়েকটা ‘লাইক’ পড়ে গেছিল, এখন লগ-ইন করে দেখলাম মোট সতেরোটা ‘লাইক’! বাঃ বাঃ!


যাকগে আজকে আর বাড়িতে খাওয়ার ইচ্ছে নেই। ব্যাঙ্গালোরে এমনিতেই রোজ নিজে রান্না করে খেতে হয়, আজকে ঠিক করলাম চা-টা অবধি নিজের হাতে বানাবো না। দাঁত মেজে পাড়ার মোড়ের বেকারিতে গিয়ে চা আর কেক অর্ডার দিলাম। আট-দশ বছরের ছেলেটা, ভেঙ্কটেশ না নাগার্জুনা কি একটা যেন নাম, আমি তো ‘ছটু’ বলেই ডাকি, এসে চা এর গ্লাস দিয়ে গেল।
নাহ্‌, চা-টা সত্যিই ভালো হয়েছিল, বেশ নিজের মনে জম্পেশ করে চা আর কেক খাচ্ছিলাম। খেতে খেতে দেখছিলাম ছটু এদিক ওদিকে ঘুরে ঘুরে চা দিচ্ছে, কুচকুচে কালো গায়ের রঙ, নোংরা সাদা গেঞ্জি, হাফ প্যান্ট, মাথায় কতদিন তেল পড়েনি তার ঠিক নেই। মাঝখানে আবার দৌড়ে গিয়ে পাশের গ্যারাজে চার কাপ চা দিয়ে এল। দেখে বেশ খারাপ লাগলো, শিশু শ্রমিক ব্যাপারটা দেশ থেকে তুলে দেওয়া উচিত। চা শেষ হয়ে গেল

Tuesday, April 9, 2013

দশা -- আগন্তুক

১
ভারত আবার সম্মুখ সমরে। আজ্ঞে না, default শত্রু পাকিস্তানের মুখোমুখি নয়। ইতালীর সঙ্গে
মনোমালিন্য হয়েছে দিল্লীর। সুযোগ বুঝে পদ্মফুল কাঁটা ফুটিয়েছে- ম্যাডামের বাপের বাড়ি বলে কি সাত খুন মাফ? কুত্রোচ্চি কাণ্ডের দুঃস্বপ্ন এখনো ভোলেনি ১০ জনপথ। কাজেই পত্রপাঠ ইতালীয় রাষ্ট্রদূত নজরবন্দী এবং ফলতঃ গুটিগুটি পায়ে ইতালীর আত্মসমর্পণ। মুখরক্ষা হল দেশের এবং অবশ্যই দেশের রাজবংশের।

২
তামিল বধের শাস্তি চাই-তামিলনাড়ুর হুঙ্কার। ওরে ওসব কূটনীতি ভাই-অপারগ এই সরকার। দিল্লী নাহয় চুপটি থাকল, আমরা তো নই বাচ্চা। সমর্থনটি ফিরিয়ে নিলেই শিক্ষা হবে আচ্ছা। কাঁচকলা হবে, থোড়াই কেয়ার-মনমোহিনী উত্তর। সি বি আই দিয়ে Tight দিয়েছি মুলায়ম সহ পুত্তর। গদিতে এখন No ঝঞ্ঝট-বলেই দিলুম স্পষ্ট। অমন দিদিকে সামলে দিলুম কিসের আবার কষ্ট?

৩
নামটি তাহার আই পি এল - ক্রিকেট তো নয়, দৈব খেল। বাদশা আছেন, দিদিও আছেন, আছেন
করুণানিধি- সুপারহিট তো হবেই গুরু, যত বাম হোক বিধি। ঘটা করে হল উদ্বোধন-যুবভারতীর ক্রীড়াঙ্গন। আরাবুল নাম স্মরণ করালো অভ্যাগত পিট-বুল। লক্ষ জনতা শরীর দোলালো-সঙ্ঘবদ্ধ ঘাসফুল। গেল বচ্ছর কাপ জিতেছিনু-ভুলে গেলি তোরা বেইমান! সাধেই কি আর বাঙালি বলেছে-এক নম্বর শয়তান!

৪
চৈত্রের শুরু থেকেই মারাত্মক তপ্ত আবহাওয়া। প্রকৃতিকে হার মানালেন মীরা-মমতায়। রাজভবন থেকে ওড়ানো সাদা পায়রা ডানা ঝাপটে Finish। বিচারালয়ে নির্বাচন। Focus সন্ধানী পঞ্চায়েতমন্ত্রী কিছু অন্ততঃ কাজ পেলেন। অন্যথাঃ মুখ্যমন্ত্রীই এই সরকারের সব মন্ত্রকের প্রকৃত মন্ত্রী-একথা কে না জানে। বাঙালির হেলদোল নেই। অ্যাকাডেমির বদলে টিভিতেই নাটক দেখতে পেলে মন্দ কি! হাজার হোক সংস্কৃতিমনস্ক জাতি বলে কথা!

Thursday, March 7, 2013

(অ)ধর্মঘট -- নির্মাল্য

“আজ আমাদের ছুটি ও ভাই আজ আমাদের ছুটি”- গানের ছলে বাঙালির মনের কথাটা বহুদিন আগেই বলে গিয়েছেন দাড়িদাদু। ছুটি ক্যালেন্ডারের মুখাপেক্ষী হবে কেন? এই প্রশ্ন আজকের নয়। কাজেই ছুটির তালিকায় আকস্মিক সংযোজন কর্মীমাত্রেরই বাসনা। তার ওপর যদি এই ছুটির অজুহাত হিসেবে চট করে কিছু মহৎ উদ্দেশ্যের মশলা ছড়িয়ে দেওয়া যায়- কেল্লা ফতে। ধর্মঘট, হরতাল ইত্যাদি বিভিন্ন নামে সারাদিনের মোচ্ছব প্রস্তুত। নানা, এই প্রাক-বসন্তে ঘটে যাওয়া দু’দিন ব্যাপী ধর্মঘটের প্রসঙ্গে কথাগুলো বলছি না। এর ব্যাপ্তি অনেক গভীরে।

ইতিহাসে কর্মবিরতি বা হরতালের প্রথম নথিটি বেশ পুরনো। ১১৫২ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে মিশরীয় ফ্যারাও তৃতীয় রামোসিস এর রাজত্বকালে প্রথম কর্মীবিক্ষোভ ও হরতালের নথিবদ্ধ ইতিহাস আছে। রাজ-সমাধিস্থলের কর্মীরা বর্শার ধারালো মুখের আগায় স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছিলেন “ইনকিলাব জিন্দাবাদ, আমরা কাজে যাচ্ছি না”। আধুনিক উদাহরণটি তুলনায় নতুন। ১৭৬৮ সালে লন্ডনের বন্দরে ধর্মঘট। তখনই ইংরাজি শব্দভাণ্ডারে “Strike” কথাটি হরতালের সমার্থক হয়। তারপর টেমস ও গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গেছে, নীলনদও বসে নেই- সবাই অনেকগুলি ছোট-বড়, মাঝারী বিভিন্ন ধরণের বনধের সাক্ষী।

কাজ না করার অধিকার, সচেতন আন্দোলনের অধিকার নিয়ে আন্তর্জাতিক বিতর্ক আজও বহাল। সাধারণতঃ পশ্চিমী বিশ্ব কর্মীদের আন্দোলনের অংশ হিসেবে কাজ না করার অধিকারকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিয়েছে। সবচেয়ে মজার একটা কথা

Wednesday, February 20, 2013

থাবা -- কৌস্তুভ


আমরা নিরামিষ ব্লগার। গোল্ডেন গেট ঘুরে এসে ট্রাভেল ব্লগ লিখি, চীজকেক রাঁধতে শিখলে রেসিপি পোস্ট দিই। এর মাঝেই মমতার কার্টুন শেয়ার করে প্রফেসরের হেনস্থার প্রতিবাদে স্যাটায়ার লিখি, বইমেলায় রুশদিকে ঢুকতে না দেওয়ার লজ্জায় ধিক্কার জানাই। কিন্তু ব্লগিং যে এক লহমায় আমাদের ভূতপূর্ব ব্লগার করে দিতে পারে, এমনটা কল্পনা করি না।

রাস্তাঘাটে পথদুর্ঘটনায় রোজই অনেক লোকের মৃত্য হচ্ছে, সে খবরগুলো পড়তে খারাপ লাগলেও রোজকার ডালভাত হজমে সেগুলো কোনো প্রভাব ফেলে না। কিন্তু যদি বাসের ধাক্কায় মৃত পথচারীটি হয় আমারই বন্ধু, তাহলে সেই ড্রাইভারের প্রতি আক্রোশটা অসহনীয় রকমের তীব্র হয়ে ওঠে। যার ফান-পোস্টারে লক্ষ্মীর পরনের স্কটিশ কিল্ট নিয়ে এই সেদিনও হাসাহাসি করেছি, যার স্যাটায়ারের মান আরো ধারালো করার জন্য সমালোচনা-ভরা উৎসাহ দিয়েছি, যখন খবর পেলাম যে আমার সেই সহব্লগারকে গলা কেটে খুন করে তারই বাড়ির সামনে ফেলে গেছে কিছু লোক, তখন আর সারাদিন কাজ করতে পারিনি ।

থাবা বাবা


Monday, February 4, 2013

উবু-দশ -- আগন্তুক

১

ভোটের সময় দেওয়া অনেক প্রতিশ্রুতিই রাখা সম্ভব হয় না রাজনেতাদের। কিন্তু নেত্রীর দেওয়া কথা রাখলো প্রকৃতি-এমন ঘটনা বিরল। যাহোক বাঙালি দেখেছে সেটা। কলকাতাকে লন্ডন বানানোর প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়েছে। এই মরসুমের শীতলতম দিনে কলকাতার তাপমাত্রা হারিয়ে দিয়েছে সেদিনের লন্ডনের সর্ব্বোচ্চ তাপমাত্রাকে। বছরে মাত্র দুটি ঋতু- অতিগ্রীষ্ম ও কম গ্রীষ্ম- এই সত্যে অভ্যস্ত বাঙালি শীতের আনন্দ লুটে পুটে নিয়ে চিড়িয়াখানা ও ভিক্টোরিয়া চত্বর নোংরা করেছে যথেচ্ছ। হবে না’ই বা কেন? কলকাতা লন্ডন হয়েছে- থুড়ি, হারিয়ে দিয়েছে লন্ডনকেও! কম আনন্দের কথা? 

  
২
হরতালের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আরও একটি হরতাল। এমনটাই ঘটতে চলেছে এই পোড়া দেশে। ভাষা দিবস নিয়ে চিন্তিত বঙ্গবামেরা দিল্লির বামদাদাকে এই নিয়ে আর্জি জানিয়েছেন, এবং আরও অনেক ঐতিহাসিক তথা প্রাগৈতিহাসিক ভুলের মতই এখানেও মুখঝামটা খেয়ে ফিরে এসেছেন। অবশিষ্ট ভারতে এই হরতালের প্রভাব কতটুকু হবে তা ভালই জানা আছে। তবে বাঙালির চিন্তা নেই। বিশ্বময় সাম্যবাদ প্রতিষ্ঠার স্বপ্নের ধ্বংসাবশেষটি এখনও পড়ে রয়েছে

Monday, January 14, 2013

মেয়ে-জ্বালানো -- দিদিমণি


আমাদের দেশের হিন্দি ছবির অসংখ্য গানের মুখ্য উপজীব্য হচ্ছে ইভ-টিজিং। নায়ক ও তার সঙ্গীরা হেঁটে, সাইকেলে, বাইকে, চার-চাকায় এমনকি হেলিকপ্টারে করেও নায়িকাকে তাড়া করে যতক্ষণ না সে প্রেম-প্রস্তাবে সম্মতি জানাচ্ছে। তাতে নায়িকা বিরক্ত, ক্রুদ্ধ, ভীত, যাইহোক না কেন নায়ক ও তার সাগরেদরা দমছে না। সিনেমায় এসব দেখতে মানুষের বোধহয় ভালই লাগে। জীবন, কেরিয়ার, চাকরি- এ সবের পিছনে না দৌড়ে একটা বা একাধিক মেয়ের পিছনে ধাওয়া করা, বিয়ে না করে একসাথে থাকার থেকেও বেশি সামাজিক স্বীকৃতি আদায় করে। দেশের রাস্তাঘাটেও দৃশ্যটা প্রায়ই নজরে আসে। হেঁটে, রিক্সায় বা সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছে একটি মেয়ে- আর তার পেছনে পেছনে follow করে চলেছে কয়েকটি ছেলে। তারা নিজেদের মধ্যে মেয়েটিকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন কথা বলছে, গান গাইছে ও অঙ্গভঙ্গি  করছে। যদি মেয়েটি একা থাকে বা দু-একজন সঙ্গীর সাথে থাকে তাহলে তো আর কথাই নেই।

একটি মেয়ে হাইস্কুলে সিক্স থেকে সেভেনে উঠতে উঠতেই তার স্কুল, কোচিং, নাচ বা গানের ক্লাসের যাওয়া আসার পথে কিছু রোড-সাইড রোমিওর পাল্লায় পড়ে। খু-উ-ব কম মেয়ে আছে যাদের এই অভিজ্ঞতা নেই। গ্রাম, ছোটো শহর, বড় শহর- সম্ভবত এমন কোনও জায়গা নেই যেখানকার মেয়েরা এই ঘটনা সম্পর্কে ওয়াকিফ-হাল নয়। আমার আবছা আবছা মনে আছে প্রথম কবে ছেলেরা আমার পিছু নিয়েছিলো। সত্যি বলছি, একদম প্রথম অভিজ্ঞতার কথা ভালো মনে নেই। তবে যতদূর মনে পড়ে, খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। মনে হয় ক্লাস সেভেনে পড়তাম। যারা ফলো করেছিলো তারা সংখ্যায় প্রায় তিন-চার জন ছিল।

Monday, November 26, 2012

মৃত্যু সুখের উল্লাসে -- নির্মাল্য


বাপরে কি ডানপিটে ছেলে-কোনদিন ফাঁসি যাবে, নয় যাবে জেলে। শিশুপাঠ্য ছড়া যতক্ষণ, ততক্ষণ চলতে পারে। কিন্তু ব্যাপারটা সত্যি হলেও কি একইরকম হাস্যকর? অস্বস্তির সূচনা কাসভের ফাঁসি নয় মোটেই। সেটার প্রতিক্রিয়ার ধরণ। অপরাধীকে আড়াল করতে কলম ধরা এই বান্দার কাজ নয়। কিন্তু শাস্তি উপলক্ষে সমারোহের আবহ তৈরি হলে চিন্তার বিষয় বৈকি।
মৃত্যুদণ্ড মানবতা বিরোধী কিনা তা নিয়ে বিতর্ক চলতে পারে। ফিডিং বোতলে করে যে রাষ্ট্র অন্যান্য অবাধ্য রাষ্ট্রকে মানবতা খাইয়ে থাকে, সেই আমেরিকা কিন্তু বহু বিতর্কের পরও মৃত্যুদণ্ড রোধ করেনি। দ্য “গ্রেট” ব্রিটেন সুদীর্ঘকাল ধরে উপনিবেশগুলিতে এই শাস্তি প্রয়োগ করার পর সাম্প্রতিককালে মৃত্যুদণ্ড রদ করেছে। বাকী রইল আরব ইত্যাদি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলি। ওসব জায়গায় খুব কম অপরাধের জন্যই মৃত্যুদণ্ডের বিধান নেই। তুলনায় ভারত মৃত্যুদণ্ডের ব্যবস্থা রাখলেও এর প্রয়োগের ব্যাপারে অনেক বেশি সহনশীল এবং প্রকৃত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মতই দায়িত্বশীলও বটে। খুব সম্প্রতি রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভায় আন্তর্জাতিক ভাবে মৃত্যুদণ্ড রদ করে দেওয়ার প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে।

২৬ শে নভেম্বর ২০০৮ এর মুম্বাই সন্ত্রাসের জঙ্গি ক্ষোভকে বহুদিন দীর্ঘ একটি বিচার প্রক্রিয়ার পর ফাঁসি দেওয়া হল। সে প্রসঙ্গে আসার আগে অনুরূপ আরেকটি ফাঁসির ঘটনা মনে পড়ছে। পশ্চিমবঙ্গে হেতাল পারেখের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় ধনঞ্জয়ের ফাঁসি। আইন তার নিজের পথে চলেছে। জনতা নিজের। যেমন “ধনঞ্জয়ের ফাঁসি চাই” এই ব্যানার নিয়ে মিছিল হয়েছে রাজপথে। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী

Monday, September 10, 2012

শহরের শীত ও ‘তাহাদের কথা’ -- সুশোভন

শীত
তোমার চুল উড়ছে হাওয়ায়- বাঁ-হাতে তুমি ধরে আছ তোমার টেলিফোন
শীতের আলোয় আবার আমি ফিরে এসেছি তোমার ঘরে
তোমাদের বিড়াল, দেখি, আগের মতো
ততটা ক্ষিপ্র নয় আর- তোমার পশমের বল
দেখি, গড়িয়ে চলেছে- আরো গড়িয়ে চলেছে ঢালু খাটের নিচে-
চুপচাপ বসে আমি- চুপচাপ হাই তুলছে তোমাদের বিড়াল
শীতের ঝর্না, ডেকে ডেকে ফিরে যাচ্ছে আমাদের
এমন অসময়ের শীতের কথা বলব বলেই 'শীতকালের কবি' ভাস্কর চক্রবর্তী-র কবিতাটি অনুষঙ্গ হিসেবে ব্যবহার করলাম।

ছেলেবেলা থেকেই ওয়েলিংটন স্কোয়ারের ভুটিয়াদের দেখলেই নিজেকেও ভুটানের কোনও প্রত্যন্ত পাহাড়ের আদিম মেষপালক গোষ্ঠীর লোক বলে মনে করতাম। বাঙালির মজ্জায় ফ্রি-তে জ্ঞান দেওয়ার একটা স্বভাব আছেই, তাই সেই বয়সে আমাকেও অনেকে অনেক রকম জ্ঞান দিত। তাদের কারোর কোন কথাকেই আমি খুব একটা গুরুত্ব দিতাম না।

Thursday, August 23, 2012

একা-দশী -- আগন্তুক

১
সখী বিচার কাহারে বলা? সে কি শুধুই টাকার খেলা? তোমরা যে শুধু ফেসবুকে কর নিন্দে ও কানাকানি। তাই গোসা করে দিদিমণি। নাহয় একটু ধমকে দিয়েছে, নাহয় করেছে মানা, তাই বলে দেখ একি অবিচার! দিতে হবে জরিমানা? শুনতে পেলুম মহাকরণে - বিচারের বাণী “নীরবে” গোপনে। না জানি কি করে চুপচাপ বসি- কান্না? নাকি সে অট্টহাসি?

২
একের পর এক নারী নির্যাতনের ঘটনায় দেশ ও রাজ্যের সমাজ বিপর্যস্ত। মানুষ আবার

Thursday, July 26, 2012

দশ(অ)কর্ম্মা -- আগন্তুক


১
হৈ হৈ কাণ্ড- রৈ রৈ ব্যাপার। দেশের প্রধানের পদে বঙ্গ-সন্তান। একগাদা কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি আর কু-নাট্যরঙ্গের পর কীর্ণাহারের প্রণব-বাবু রাইসিনা হিলসের

Monday, June 25, 2012

দশগোল্লা -- আগন্তুক

১
প্রতিভাদেবীর আসনে আসীন হবেন কে? নানা মুনির(!) নানা মত। তবে যত মত তত পথ কিন্তু দেখা যাচ্ছে না। বাঙালির

Monday, May 14, 2012

দশে বশে--আগন্তুক

১
ক্রিকেট তুমি কার? খেলা, নাকি সিনেমার? নিলামে সেদিন ওঠেনি দর- অভিমানে দাদা পুনের ঘর। দাঁতে দাঁত চেপে

Thursday, May 10, 2012

ইস্কাপনের বিবি -- রঙ্গিন

ইস্কাপনের বিবির এখন তিনটে সাহেব
তুরুপ নাকি বিরূপ তারা কেউ জানেনা
বৃথাই চেষ্টা করে তুমি মরছো নায়েব,

Thursday, April 19, 2012

দশম্পূর্ণ -- আগন্তুক

১
বাঙালি জানত যে পড়তে হয় নইলে পিছিয়ে পড়তে হয়, তার এও জানা ছিল যে ভগবান ছাড়া আর

Thursday, March 15, 2012

দশ-এ-দশ -- আগন্তুক


১
ভারতে বর্তমানে দাসপ্রথার সমস্যা অগ্নিগর্ভ। এদেশে রাজনীতিকরা নিজেদেরকে জনগণের

Monday, February 20, 2012

তিস্তা ভালো নেই -- মিত্রপক্ষ

পৃথিবীর এই গোলার্ধে এখন গভীর রাত। আর কিছুক্ষণ পরেই সাত সকালের আমন্ত্রণে এই গোলার্ধে

Thursday, February 2, 2012

স্বাধীনতা হীনতায়-- হিজিবিজবিজ

link

অনেক দিন হলো, আমাদের বৈঠকখানায় একটা Post পড়েছিলো- “হুসেন হোক বা পাওলি- মুখ খুললি কি গেলি...”। সেখানে

Thursday, January 26, 2012

দশচক্রে -- আগন্তুক


১
দুনিয়া জুড়ে শোরগোল। উইকি নাকি weak! Rattle snake কাহারে কয় – থেকে- anesthesia কি যাতনাময়- এই সব প্রশ্ন নাকি আর মূল্য‘হীন’ থাকছে না। শোনা যাচ্ছে

Monday, December 26, 2011

দশদর্শী -- আগন্তুক

১
আলু–পটল থেকে ফুলকপি, খুচরো ব্যবসায় দিল্লির সিংহাসন টলমল। দাদারা চোখ রাঙাচ্ছেন, দিদি দু’বেলা নিয়ম করে শাসাচ্ছেন, মুকুট থুড়ি পাগড়ী বাঁচাতে অতএব ব্যাক টু পাস্ট। যাচ্চলে,

Wednesday, September 21, 2011

যাত্রা...পথে -- বুড়ো আংলা

ছবির উৎস: লিঙ্ক

মনে আছে আমায়? হ্যাঁ, আমি সেই জনগণেরই একজন, যাকে এই বিশাল মহানগরীর একপ্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে জীবিকা

About Us | Site Map | Privacy Policy | Contact Us | Blog Design | কথা তো বলার জন্যেই