Monday, January 23, 2017

ইচ্ছে -- ঐকিক


      - খুব ইচ্ছে করে।
- কি?
- সে জানিনা, শুধু জানি ইচ্ছে করে। ক্যাপসুল লিফটে, গাড়ির মধ্যে, ঘরে, জানালার ধারে, সব সময় ইচ্ছে করে।
- অত ইচ্ছের কি আছে আবার? চুপ করে বোস।
- কিন্তু ইচ্ছেপূরণ না হলে মন খারাপ হয় যে ... তোর ইচ্ছে করে না?
- তোর না শরীর খারাপ? জল খা। কাল জানিস, কি হয়েছে? আমার যে ছোট মাসি জামশেদপুরে থাকে, আরে ... যার বরের ক্যান্সার হয়েছিল ...
- একটু চুপ কর। উত্তর দিবি না, তোর ইচ্ছে করে কি না?
- আমার তোর মত অত বাঁধভাঙা ইচ্ছে-টিচ্ছে করে না বাপু। তোর সবেতেই একটু বেশি বেশি।
- বেশ। এই চুপ করলাম।
- আচ্ছা, ঠিক আছে, আর গোসা করতে হবে না। আমারও মাঝেমধ্যে অল্পস্বল্প ইচ্ছে করে। হল এবার?
- লোকজনের মধ্যে? না আড়াল চাই?
- ধুর! লোকজনের মধ্যে! পাগল নাকি? কেউ না থাকলে ভেবে দেখতেও পারি।
- চল না, এই দেখ, ধারেকাছে কেউ কোত্থাও নেই।
- ধুস! যখন-তখন ইচ্ছে হলেই হয় নাকি?
- হয়। দেখবি?
- ................
- কি হল?
- ......... দেখা।



কয়েক সেকেন্ড পরে জনান্তিকে একটি বায়ুনিঃসরণের শব্দ পাওয়া গেল।

Wednesday, March 7, 2012

'দোলে' দো-গুল...-- ঐকিক

তারকের দোকানে দাঁড়িয়ে চা খাচ্ছি, খপ করে চেপে ধরলো খেজুর। ‘দাদা, দোল মানে কি?’ সকাল সকাল মেজাজ এমনিই সপ্তমে চড়ে থাকে, তায় এই ধরনের

Monday, February 6, 2012

যে রাঁধে, সে চুমুও খায় -- ঐকিক

হাতি দেখেছেন? আমি ওর’ম দেখতে। ফ্যাকাশে হাতি। বৈশিষ্ট্যহীন হাতি। ডায়েট করা হাতি, কিন্তু হাড়জিরজিরে নই। শুঁড় নেই। মাথায় চুল

Thursday, December 1, 2011

'অ'-ঘৃণা -- ঐকিক

Uploaded with ImageShack.us
মাতৃভাষায় চাষ করে খাই,
জবাই করেছি ব্যাকরণ বই,
ইঙ্গ-হিন্দি আক্রমণেও

Thursday, September 29, 2011

অন্য কোথাও, অন্য কোনখানে -- ঐকিক


৬ সহস্র পীতবর্ষ:
আজ উইসিনুন চলে গেল। নিঃশব্দে। অনেকদিন ভাবার পরেই নিল সিদ্ধান্তটা। জানতাম, তৈরিও ছিলাম, কোন অনুতাপ বা শিশুসুলভ টানও ছিলনা। তবু আমায় পেয়ে বসেছে এই ‘বিষণ্ণতা’। সামনের ঝর্ণার জল, নতুন কোন গবেষণা- এমনকি ওই হলুদ নক্ষত্রের দিগন্ত পার করা, যাকে এখন সবাই বলি বিসর্জন- কিছুই আর ঠিক সেই ইচ্ছে জাগাতে পারছেনা পরের দিনের সব কাজ করার। এ এক অদ্ভুত রোগ। চিকিৎসা আজও আমাদের অজানা। আমাদের গ্রহে এর অস্তিত্বও কেউ জানেনা, কিন্তু এখানে! একটা গোটা প্রজাতি উজাড় হয়ে গেল এই মহামারীতে। উইসিনুন, উওয়ারুহ্‌ন, উইনিড্রোন- সব তাবড় প্রকৃতিবিদ হার মেনেছিল এর কাছে। সবাই শেষ অবধি মেনে নিয়েছিলাম, এটা এই গ্রহেরই আবহাওয়ার কোন বৈশিষ্ট্য- কারণ ছাড়াই মানসিক অবস্থার হঠাৎ পরিবর্তন আর অদ্ভুত এক জীবন-বিমুখ অভিব্যক্তি গ্রাস করে রোগীকে। লজ্জাজনক এক বিষয়ে অপরিসীম গুরুত্ব আরোপ করে তখন সে- আত্মচিন্তা। প্রজাতি নয়, তার কাছে তখন বড় হয়ে ওঠে ওই সামান্য অস্তিত্ব- নিজ দেহ-মন। আমি মোউন-উহ্‌, একমাত্র নীরোগ প্রাণ অবশিষ্ট আছি এই প্রজাতির। সেও বোধহয় আর ঠিক থাকলো না। আমিও ‘বিষণ্ণ’।
আর কেউ থাকলো না। উইসি- ওকে শেষ দিকে এই বলেই ডাকতে শুরু করেছিলাম,

Thursday, September 1, 2011

ধরমবীর- ভিড়ধর্ম -- ঐকিক

আবার চলে এয়েচি দ্বিধান্বিত(ভক্ত) ওষ্ঠাধরে কিছু প্রাণের-মনের কথা প্রাণের ভয় না রেখে বলে ফেলবো বলে। বিশেষ কাজ কোনদিনই ছিলনা। তাই এই শ্রাবণে, আষাঢ়ে নিবন্ধের সূত্রপাতে বেশি motivation

Tuesday, August 2, 2011

বাঁদর? আমি? বাঁদরামি!! -- ঐকিক

ছবির উৎস: লিঙ্ক
"সেইতো বাঁদর হ’লে, রঙ মেখে লাভ কি হল?-"

ছোটবেলায় আমার সমসাময়িক অনেকেই ভাবতো যে অতীতে দুনিয়াটা সাদা-কালো ছিল। আজ এত বছর পর পরিষ্কার দেখতে পাই দুনিয়াটা আসলে শুধুই সাদা।
ক্যানভাসের মত।
ক্যানভাসের রঙ কি? তুমি যা চাপিয়েছ? মোটেই না, ওটা যা ছিল তা-ই আছে, তোমার কল্পনা এখন ছবি হয়ে ক্যানভাসে সাময়িক বসে আছে মাত্র। গো-ও-টা দুনিয়া, আলাদা করে সমস্ত মানুষ, তাদের মন, আসলে সাদা। বাকিরা তার ওপর নিজের মনের রঙ চাপিয়ে দিই, আর অধিকাংশ ক্ষেত্রে তারা সেটা বিশ্বাস করতে শুরু করে। তখন জগৎটা অনেক রঙে ভেঙ্গে যায়। আমাদের মত আংশিক বর্ণান্ধ

About Us | Site Map | Privacy Policy | Contact Us | Blog Design | কথা তো বলার জন্যেই