আগে যা ঘটেছে:
তিতিরের ‘জেম্মা’ আদতে টোটার মা হলেও তিতিরকেই নিজের মেয়ের মতো দেখেন আর তার
মা প্রতিমা বুটিক চেনের কাজে ব্যস্ত থাকায় নিজেই মানুষ করার ভার নিয়েছেন। তিতিরের সঙ্গে নিজের
গত জীবনের প্রেমাস্পদ অবিনাশের ছেলে প্রবীরের প্রেমের কথা টোটার কাছে জানতে পেরে
নিজের উদ্যোগে সেই সম্পর্ক ভেঙে দেন। উলটে জানতে পারেন বাড়ির আশ্রিত বিশাখাকে নিয়ে
কে বা কারা গুজব রটাচ্ছে। বিশাখা প্রতিমার কাছে দোকানে কাজের ইচ্ছে প্রকাশ করে। প্রবীরের সাথে সম্পর্কের ইতি হওয়ার পর তিতির কাঁদতে
কাঁদতে জেম্মাকে জিজ্ঞেস করে তার জেঠু বেঁচে থাকলে ভাল হতো কি না।